আয়রন ম্যান
টনি স্টার্ক সেই গাড়ি থেকে কোনো রকমে বেড়িয়ে যায়। আর একটা পাথরের গায়ে লুকিয়ে নিজের ফোন বের করে সাহায্যের জন্য কন্ট্যাক্ট করতে শুরু করে। ঠিক তখন তার সামনে একটি মিসাইল এসে পরে, যার গায়ে লেখা থাকে স্টার্ক ইন্ডাসট্রিস। এই মিসাইলটি স্টার্কের কোম্পানির বানানো। আর সেটা টনির সামনেই ব্ল্যাস্ট হয়ে যায়। যার ফলে টনি স্টার্ক গুরুতর আহত হয়।
পরের সিনে আমরা টনি কে সেই আতংবাদীর আড্ডায় দেখি, যেখানে তাকে বসিয়ে আতংবাদীরা একটা ভিডিও ফুটেজ বানাচ্ছে।
আগের সিনে আমাদের কে এই ঘটনার ৩৬ ঘন্টা আগেকার সময় দেখানো হয়।
এই টনি স্টার্ক হচ্ছে হাউয়ার্ড স্টার্কের ছেলে আর সে খুব বুদ্ধিমান। মাত্র চার বছর বয়সে সার্কিট বোর্ড বানিয়ে দেয়। ছয় বছর বয়সে প্রথম ইঞ্জিন। আর ১৭ বছর বয়সে পৃথিবীর সব থেকে বড় ইউনিভার্সিটি MIT থেকে গ্রাজুয়েসন করে।
হাউয়ার্ড স্টার্কের মৃত্যুর পর তার পার্টনার ওবাডায়ান স্টেন তার স্টার্ক কোম্পানির দেখাশোনা করে আর ২১ বছর বয়সে যখন টনি ফিরে আসে তখন সে এই কোম্পানির মালিক হয়।
সে অস্ত্রকে অনেক অ্যাডভান্স বানিয়ে দেয়, টেকনলজিকেও অনেক এগিয়ে নিয়ে যায় নিজের যশ আর বুদ্ধি দিয়ে।
আর তাই সে জয়ী হয়েছে অ্যাপোজি অ্যায়ার্ড এর জন্য। এইসব এর অ্যানাউন্স তার বন্ধু জেমস রোডস করে, কিন্তু টনি সেই Award Function এই আসেনি। তাই সেটি ওবাডায়ান স্টেনের হাতে দেওয়া হয়।
অপরদিকে টনি ক্যাসিনোতে ব্যস্ত। তখন সেখানে রোডি এসে জিজ্ঞেস করে Award Function এ না যাবার কারণ। আর তাকে তার award টি দেয়। ক্যাসিনো থেকে বেরিয়ে টনি অ্যাওয়ার্ডটি রাস্তার এক অচেনা ব্যাক্তিকে দিয়ে দেয়। যেটা থেকে বোঝা যায় টনি কাছেই এইসব জিনিসের তেমন মুল্য নেয়।
গাড়ির কাছে যেতেই একজন মহিলা রিপোর্টার ক্রিসটিন এভারহার্ট, টনিকে আওয়াজ দেয়। সে টনিকে কিছু প্রশ্ন করে, আর তারপর আমাদের প্লে বই টনি, নিজেকে পুরুষ প্রমাণ করেই দেয়। বুঝতেই পারছেন।
সকালে আমরা টোনির বাড়ি দেখি ক্যালিফরনিয়াতে। তার বাড়িতে এ আই ও অনেক অ্যাডভান্স টেকনলজি দিয়ে ভর্তি। টনির অ্যাসিস্টান্ট পেপার পট নিচে এসে টনিকে বলে তার জন্য, ফ্লাইট লেট হচ্ছে। টনি নিজের গাড়ির উপর কিছু কাজ করে।
সেখান থেকে টনি নিজের গাড়ীতে করে এয়ারপোর্টে আসে, সেখান থেকে সে রোডির সাথে আফগানিস্থান যায়, রোডি এখানে টনির জন্য তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষায় ছিলো আর আমাদের টনি কেমন সেটা তো আমরা সবাই জানি।
সেখানের আর্মিদের টনি নিজের অ্যাডভান্স অস্ত্র জেরিকো মিসাইল দেখায়, আর্মিরা টনির এই মিসাইল দেখে মুগ্ধ। সেখান থেকে টনি আর্মিদের সাথে ফেরে আর রাস্তায় সেই দুর্ঘটনা হয়। আর আতংবাদীরা তাকে তুলে নিয়ে আসে আর এখন টনি গুরুতর আহত। যখন টনির জ্ঞান ফেরে, সেখানে সে দেখে একটা মেসিন তার বুকের উপর লাগানো থাকে। সেখানে একটা ব্যাক্তি থাকে সে বলে যা করেছি তোমার ভালোর জন্যই করেছি। কারণ বোমা বিষ্ফোরণের ফলে বোমার সার্ফনেল তার হৃদয়ের দিকে এগোচ্ছে আর এই ব্যাক্তি যতগুলো সার্ফনেলকে পেরেছে বের করেছে আর বাকি গুলো যাতে টনির হৃদয়ের কাছে না পৌছায় তাই এই ব্যক্তি একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটকে গাড়ীর ব্যাটারির সাথে লাগিয়ে দিয়েছে। সাথে সাথে সে এটাও জানায় যতদিন টনির শরিরের সাথে এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেট আর ব্যাটারি থাকবে ততক্ষণ টনি বেচে থাকবে। এটা খুলে দিলেই টনি মারা যাবে।
তখন সেখানে সেই আতংবাদীরদের কিছু সাথি এসে টনিকে জানায় যে, আমরা তোমার ঐ জেরেকো মিসাইলটি চাই। টনি নিষেধ করে যে সে এটা বানাবে না। ফলে তাকে অনেক টরচার করে। শেষ অবধি টনি রাজি হয়ে যায়। জেরিকো মিসাইল বানাবার জন্য। তারা টনিকে গুহার বাইরে আনে। টনি সেই ব্যাটারিটি হাতে নিয়ে আসে পাসের জিনিষ গুলো দেখে। সেখানে সে দেখে এই আতংবাদীদের কাছে যত অস্ত্র আছে সবই স্টার্ক ইন্ডার্স্ট্রিজের তৈরি। টনি এটাও বুঝতে পারে এদের জন্য যদি টনি জেরিকো মিসাইল তৈরি করে দেয় তবুও কথামতো এরা তাকে মুক্ত করবে না।
টনি তখন কাজ শুরু করে, প্রথমে সে নিজেকে বাচিয়ে রাখার জন্য নিজের অন্যান্য মিসাইল থেকে প্যালেডিয়াম বের করে একটা আর্ক রিয়াক্টার বানায়, যেটা একটা ইলেক্ট্রোম্যাগনেট সাথে সাথে এ নিজেকে নিজে থেকেই পাওয়ার দিতে পারে। অনেকটা ব্যাটারির তৈরি ইলেক্ট্রোম্যাগনেট। ব্যাটারিও আর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটও। এটা না বানালে তাকে সব সময় সেই ব্যাটারিটা সঙ্গে নিয়ে বইতে হতো। এই সবে টনির সাহায্য সেই ব্যাক্তি করে, টনি তার নাম জিজ্ঞেস করাতে সে বলে ইয়ানসন।
টনির কথা মতো এই ছোটো আর্ক রিয়াক্টার Three Gigajoul per second এর হিসেবে বিদ্যুৎ উতপাদন করতে পারে যার মানে বন্ধুরা ৩০০ কোটি ওয়াট এর বিদ্যুৎ। ফলে এটার সাহায্যে অন্য ডিভাইস কেউ পাওয়ার দেওয়া সম্ভব। ইয়ানসন বলে এর মানে এটা টনির হৃপিন্ডকে ৫০ টি মানুষের জীবনের সমান চালাতে পারবে। টনি বলে হ্যা, বা ১৫ মিনিটের জণ্য তার থেকেও অনেক বড়ো কিছু হতে পারে। আর এটাই কারণ টনি এন্ডগেমে স্ন্যাপ করতে পেরেছিলো। এত ওয়াটের বিদ্যুৎ মানে একবার ভেবে দেখুন।
এরপর টনি ইয়ানসান কে একটা কাগজে নিজের সূটের প্রটোটাইপ মডেল দেখায় আর বলে এটাই আমাদের এখান থেকে ফেরার রাস্তা। কিছু সময়ের মধ্যে টনি জানতে পারে ইয়ানসান গুলমিরা থেকে এসেছে। আগে তারা মিলে সুট বানাতে শুরু করে। এদিকে আতংবাদীদের মধ্যে একজনের সন্দেহ হয় যেই মডেল তারা দিয়েছে এরা কিন্তু সেরকম কিছুই বানাচ্ছে না। টনিরা কি করছে এইসব কিছু এরা সিসি টিভি ক্যামেরার দ্বারা নজর রাখছিলো।
আতংবাদীরা সেখানে পৌছায়। তারা টনিকে একদিনের সময় দেয় জেরেকো মিসাইলের জন্য। সারা রাত তারা কাজ করে আর মার্ক ওয়ান সুট বানিয়ে ফেলে। আতংবাদীরা বুঝে যায় তারা পালাবার চেষ্টা করছে, তারা এসে দরজার খুলতেই, টনির রাখা বোমা সেখানে ব্লাস্ট হয়ে যায় আর দুজন আতংবাদি সেখানেই মারা যায়, এদিকে টোনির সুটের সফওয়্যার লোড হতে এখনো কিছু সময় বাকি দেখে ইয়ানসান একটি বন্দুক তুলে নিয়ে এগিয়ে যায়। টনি বুঝে যায় ইয়ানসান তাকে বাচাবার জন্য নিজের প্রাণ দিতে প্রস্তুত। ইয়ানসান আতংবাদীদের সামনে চলে আসে। তারা তাকে গুলি মেরে দেয়।
টনি মার্ক ওয়ান সুট পরে গুহার বাইরের রাস্তায় যায়, পথে সে ইয়ানসান কে পাই আহত অবস্থায়। সেখানে টনি জানতে পারে ইয়ানসান মিথ্যা বলেছিলো তার পরিবার মারা গেছে তার আর কেউ নেই এই পৃথিবীতে। মরার আগে সে টনিকে বলে, নিজের জীবন কে বরবাদ করো না।
গুহা থেকে টনি বেরিয়ে এসে, বাইরে রাখা তারা সমস্ত অস্ত্র সে পুরিয়ে দেয়। সে নিজের এই সুটে ফ্লেম থ্রোয়ার রাখে। আর সেখান থেকে উড়ে গিয়ে পাশের মরুভূমিতে পরে।
মরুভূমি থেকে তাকে রোডি আর তার আর্মি উদ্ধার করে।
ফিরে এসে টনি দেখে তার জন্য এয়ার্পোর্টে পেপার আর হ্যাপি দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুলেন্সও। টনি সেসব বাদ দিয়ে নিজের গাড়িতে চড়ে আর বলে, আমি চিজবার্গার খাবো। আর প্রেস কনফেরেন্স ডাকার জন্য বলে। আসলে টনির ফেবারিট খাবারের মধ্যে একটি হচ্ছে এই চিজবার্গার।
অফিসে ফিরতেই সেখানে সবাই টনিকে স্বাগত করার জন্য দাঁড়িয়ে, ওবাডায়েন স্টেন তাকে সঙ্গে করে ভেতরে যায়,
ভেতরে অনেক রিপোর্টার হাজির, এবার প্রেস কনফেরেন্স করেছে তাই রিপোর্টার তো আসবেই।
পেপার পটের সাথে সেখানে এজেন্ট ফিল কোলসান দেখা করে আর বলে আমরা মিস্টার স্টার্কের সাথে কথা বলতে চাই, পেপার বলে ঠিক আছে আমি মিটিং ফিক্স করে জানিয়ে দেব।
টনি স্টার্কে পুরো প্রেসের সামনে বলে যে সে স্টার্ক ওয়েপেন ম্যানুফ্যাকচারিং ডিভিসন টি বন্ধ করল, আজ আর এই মহুত্ত থেকে।
সেখান থেকে টনি তাদের অফিসের বড়ো আর্ক রিয়াক্টার টির কাছে যায় আর সেটাকে দেখতে থাকে। ওবাডায়েন ও সেখানে আসে, আর সে টনির সেই আর্ক রিয়ক্টারটি দেখে।
এদিকে সেয়ার মার্কেটে স্টার্ক ইন্ডারসট্রিজের শেয়ার অনেক কমে গেছে। টনি পেপার কে কল করে নিচে আসতে বলে। আর সে নিজের আর্ক রিয়াক্টার টি আপগ্রেড করে, আর পেপারের সাহায্যে সেটা রিপ্লেস করে নেয়।
পরে টনি জার্বিসের সাথে মিলে নামে নিজের সুট কে আপগ্রেড করার জন্য নতুন প্রজেক্ট শুরু করে আর সমস্ত ডিটেলস সে নিজের প্রাইভেট সার্ভারে রেখে দেয় মার্ক টু নাম দিয়ে, এদিকে সে কারোর উপর ভরসা করতে পারছে না তাই সব কিছু প্রাইভেট সার্ভারে সেভ রাখে।
এদিকে আফগানিস্থানের মরুভূমিতে সেই আতংবাদীরা টনি স্টার্কের সেই মার্ক ওয়ান শুট টি পাই, অত ভারি সুট নিয়ে উড়ে টনি মরুভূমিতেই পরেছিলো আর সেই সুটের টুকরো গুলো ফেলে সে এগিয়ে যায়।
টনি নিজের সুট কে আরও বেটার বানানোর জন্য রাত দিন এক করে কাজ করছে, কিন্তু তার আর্ক রিয়াক্টার দরকারের থেকে বেশী এনার্জি প্রোভাইড করে। এদিকে পেপার টোনির কাছে আসে কফি নিয়ে, সঙ্গে একটা গিফট। আর বলে ওবাডায়েন এসেছে দেখা করতে।
টনি উপরে যায়। আসলে টোনির ল্যাব তার বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে। ওবাডায়েন টোনিকে বলে সে টোনির এই আর্ক রিয়াক্টারটি ইঞ্জিনিয়ারদের দিয়ে পরিক্ষা করাতে চাই আর টোনিকে বলে এর কিছু কপি বানাতে।
টনি ওবাডায়েন কে সাফ মানা করে দেয় আর বলে এই আর্ক রিয়াক্টার শূধু আমার কাছেই থাকবে। কারন সে চাইনা কেউ আর্ক রিয়াক্টারের ফরমুলা পেয়ে সেটা থেকে কিছু বিনাসকারী হাতিয়ার বানাক।
ওবাডায়েনের যেতে টনি আবার নিজের কাজ শুরু করে। সে টানা ১১ দিন ধরে এই সুটকে আপগ্রেড করার পেছনে লেগেছে। আর আজ সে সক্ষম হয় উড়তে।
তারপর সে নিজের মার্ক টু সুট পরে আর উড়ে যায়। আর চাদের সোজা যেতে লাগে এটা দেখার জন্য যে এই সুট কি করতে পারে। কিন্তু অনেক উপরে যাবার পর এই সুটে বরফ জমতে শুরু করে।
বাড়ি ফিরে সে সেই গিফট টা দেখে যেটা পেপার তাকে দিয়েছিলো। প্যাকেট খুলে সে দেখে সেখানে তার সেই পুরোনো আর্ক রিয়াক্টার মানে তার বানানো প্রথম আর্ক রিয়াক্টারটি, একটি কাচের বক্সে বাধিয়ে রাখা আছে, আর সেখানে লেখা Proof that tony stark has a heart.
এদিকে আতংবাদীরা সেই মার্ক ওয়ান সুটের টূকরো গুলো মরুভূমি থেকে খুজে এনে নিজের ক্যাম্পে আনে।
টনি এদিকে জার্বিস কে গোল্ড আর টাইটেনিয়াম এর মিশ্রণ দিয়ে মার্ক থ্রি সুটটি বানাতে বলে। তখন সে খবরে দেখে একটি রিপোর্টার অফিসের পার্টির জন্য বলে টনির এখানে আসাটা প্রায়ই অসম্ভব কারণ সে বাড়ীতে আরাম করেছে।
কিন্তু টনি জার্বিস কে সুট এর কাজ দিয়ে গাড়ি নিয়ে রওনা হয়ে যায় সেই পার্টির দিকে।
পার্টি গিয়ে টনির সাক্ষাত হয় ফিল কোলসানের সাথে, এখানে আমাদের প্লে বই টনি পেপারের প্রেমে মনে হয় পরে গেছে আর কাছে গিয়ে তাকে ডান্সের জন্য প্রপোজ করে।
সেখানে টনি জানতে পারে তার উপর টেরোরিস্ট অ্যাটাক আর কেউ নয় এই ওবাডায়েন করেছে, তাকে কিডন্যাপ ও সে তাকে মারতে চেয়েছিলো আর ওবাডায়েন স্টার্ক ইন্ডার্সট্রিজের অস্ত্র আতংবাদীদের বিক্রি করেছে গুলমিরা তে।
বাড়ি এসে টনি নিজের সূটের রিপালসার ব্ল্যাস্ট কে আপগ্রেড করে, আর নিজের নতুন মার্ক থি সূট পরে গুলমিরার পথে উড়ে যায়। সেখানে কিছু আতংবাদী সিভিলিয়ান্স দের উপর হামলা করে, টনি এসে সমস্ত আতংবাদীদের মেরে ফেলে। সেখানে সে নিজের জেরিকো মিসাইল ও ডিস্ট্রোয় করে দেয় যেটা ওবাডায়েন এদের বিক্রি করেছিলো।
এইসবের জন্য US আর্মি টেনসনে পরে যায়, কে এসব করছে। আকাশে আইরন ম্যানের পেছনে US Air Force পরে যায়। সেখান থেকে টনি রোডীকে জানায় এইসব সে করছে আর সেই সূটে সে আছে। সেখান থেকে ফিরে টনি নিজের সুট খুলতে শুরু করে আর পেপার তাকে দেখে নেয়।
আতংবাদীদের লিডার ওবাডায়েনকে ডাকে আর টনির মার্ক ওয়ান সুট টি দেখায়। তাদের লিডারকে ওবাডায়েন একটা ডিভাইসের সাহায্যে প্যারালাইসড করে দেয় আর সবাইকে মেরে সুটটি নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
টনি পেপারকে অফিসে যেতে বলে আর রিসেন্ট কি সব অস্ত্রের অর্ডার এসেছে বা বিক্রি হয়েছে তার ডিটেলস আনতে বলে,
পেপার ওবাডায়েনের অফিসে গিয়ে সব ডিটেলস কপি করে সেখান থেকে চলে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে ওবাডায়েন জানতে পারে পেপার কিছু কপি করে নিয়ে গেছে।
ওবাডায়েন অফিসের বড়ো আর্ক রিয়াক্টারের কাছে আসে, সেখানে সে অনেক বৈজ্ঞানিক লাগিয়ে দিয়েছে আর্ক রিয়াক্টারকে ছোটো বানাবার জন্য। সেখানে ডক্টর উইলিয়াম যখন বলে যে এরকম কোনো টেকনলজি আসেই নি, ওবাডায়েন জানায় টনি এটা একটা গুহায় বানিয়ে ফেলেছিলো। তখন ডক্টর উইলিয়াম বলে সে টনি স্টার্ক নয়। এখান থেকে বন্ধুরা আমরা এটা জানতে পারি টনি আসলে কত ব্রিলিয়ান্ট। সে একটা গুহাতে যেটা বানিয়ে ফেলে, এটা বৈজ্ঞানিক দের একটা পুরো টিম মিলেও বানাতে পারে না। এমনকি তার আসেপাসেও যেতে পারেনা।
টোনির ফোনে পেপারের কল আসে,আর সেটা তুলতে যায়, সেখানে ওবাডায়েন লুকিয়ে এসে একটা ডিভাইসের সাহায্যে টনিকে প্যারালাইসড করে দেয়। এই ডিভাইস কিছু ক্ষণের জন্য কাউকে প্যারালাইসড করারা সমতা রাখে। ওবাডায়েন, যার বৈজ্ঞানিক আর্ক রিয়াক্টার বানাতে পারেনি তাই সে টোনির বুক থেকে তার আর্ক রিয়াক্টারটি খুলে নিয়ে চলে যায় আর টনিকে ছেড়ে যায় মরার জণ্য।
পেপারের সাথে টোনির কথা হয়না তাই সে রোডিকে বলে টোনিকে দেখতে। এদিকে টোনির অবস্থা খুব খারাপ, সে তখন তার সেই পুরোনো আর্ক রিয়াক্টারের কাছে যায় যেটা পেপার তাকে একটা বক্সে বাধিয়ে রেখেছিলো।
এদিকে ওবাডায়েন একটা সুট বানায় আর সেটাকে পাওয়ার দেওয়ার জন্য টনির আর্ক রিয়াক্টারটি লাগিয়ে দেয়।
রোডি এসে টনিকে মেঝেতে পরে থাকতে দেখে। টনি সেই আর্ক রিয়াক্টারটি নিজের বুকে লাগিয়ে নিয়ে এই যাত্রায় বেচে যায়। কারণ সেই বোমা বিষ্ফোরণের ফলে তাকে এই আর্ক রিয়াক্টারই বাচিয়ে রাখছে।
পেপার এজেন্ট কোলসন কে নিয়ে ওবাডায়েনের কাছে যায় স্টার্ক ইন্ডার্স্ট্রিজের সেই বড় আর্ক রিয়াক্টারের কাছে। কিন্তু সেখানের দরজা লক থাকে। আর পেপারের কার্ডও সেখানে কাজ করেনা, ফলে এজেন্ট কোলসান নিজের টেকনিক ব্যাবহার করে। আসলে সে একটা বোমা লাগিয়ে ব্ল্যাস্ট করে দরজা খুলে নেই।
অপরদিকে টনি নিজের আইরন সুট পরে বেড়িয়ে পরে ওবাডায়েনের উদ্দেশ্যে।
এদিকে এজেন্ট কোলসান আর তার সাথি ভেতরে প্রবেশ করে আর তারা মার্ক ওয়ান সূট টি পাই। কিন্তু সেটা ফাকা, তাহলে কি ওবাডায়েন এই সুট ব্যাবহার করছে না। তখন সেখানে ওবাডায়েন আরও বিশাল বড়ো সুট, আইরন মঙ্গার পরে বেরিয়ে আসে।
কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে টনি স্টার্ক নিজের আইরন ম্যান সুটে আসে আর ওবাডায়েন এর আইরন মঙ্গারের সাথে লড়াই করে।
আইরন মঙ্গার, আইরন ম্যানকে আহত করতে শুরু করে, কারণ সে সাইজে আইরন ম্যানের থেকে অনেকগুন বড়ো।
টনি বুদ্ধি করে স্পেসের দিকে যেতে লাগে আর তার সুটে তো বরফ জমে না কিন্তু ওবাডায়েনের সুটে বরফ জমে যায়। আর তার সুট অচল হয়ে যায় কিছুক্ষণের জণ্য।
শেষ পর্যন্ত অনেক আহত হওয়ার পরও টনি অফিসের আর্ক রিয়াক্টারটি ব্ল্যাস্ট করে ওবাডায়েনকে মেরে ফেলে।
পরদিন রিপোর্টার এর সামনে টনিকে তো জবাব দিতেই হবে, যে তার স্টার্ক ইন্ডার্স্ট্রিজের দুর্ঘটনার কারণ কি, এজেন্ট কোলসান টনিকে কিছু কপি দেয় আর বলে এগুলো পরবেন, আর আপনি এখানে ছিলেন না আপনি অন্য কোথাও ছিলেন। আসলে তারা টনিকে আইন থেকে বাচানোর চেষ্টা করছে।
টনি রিপোর্টারদের কাছে দিয়ে সেই কপি হাতে নেয়, কিন্তু সেগুলো না পরে নিজের ফেমাস লাইন বলে দেয়, আই অ্যাম আইরন ম্যান।
এন্ড ক্রেডিট সিনে আমরা দেখি, নিক ফিউরি টনি স্টার্কের বাড়িতে, সে টনিকে বলে যে সে অ্যাভেঞ্জার্স ইনিসিয়েটিভের ব্যাপারে কথা বলতে এসেছি।
